শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২ জিলহজ ১৪৪৩ হিজরি
শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে মাকে ভালবাসি প্রতিক্ষণ

শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে মাকে ভালবাসি প্রতিক্ষণ

আজ বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ও মধুর শব্দটি হচ্ছে ‘মা’। যার কল্যাণে মানুষ পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখতে পায়। সেই মমতাময়ী মায়ের স্মরণে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার ‘বিশ্ব মা দিবস’ পালন করা হয়। তবে বেশির ভাগের মতে, কোনো দিনক্ষণ ঠিক করে মাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানানো যায় না, মায়ের জন্য সন্তানের ভালোবাসা থাকে প্রতিদিনই। ‘মা’ মাত্র এক অক্ষরের শব্দটির মধ্যে যে গভীরতা ও ভালোবাসা-তা অন্য আর কোনো শব্দের মধ্যে যেন নেই। মা হলো চিরন্তন এক আশ্রয়ের নাম। মা শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে স্নেহ, মমতা আর অকৃত্রিম ভালোবাসা।
জন্মদাত্রী মায়ের কাছ থেকে একজন মানুষ যে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা পায় তা পৃথিবীতে অন্য কারও কাছ থেকে পায় না। প্রাচীণ গ্রিসে বিশ্ব মা দিবস পালন করা হলেও আধুনিককালে এর প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী। ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস নামের এক নারী মারা গেলে তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্যোগ নেন। ওই বছরই মারিয়া তার সান ডে স্কুলে প্রথম মাতৃদিবস পালন করা শুরু করেন।
এরপর ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এভাবেই ‘মা’ দিবস পালনের যাত্রা শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানিসহ বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশে সন্তানরা তাদের নিজ নিজ মাকে ফুল, চকোলেট, শাড়ি, বইসহ প্রিয় উপহার দেবেন। অনেকেই মাকে নিয়ে আজ ঘুরতে বের হবেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাকে নিয়ে সুন্দর আবেগঘন পোস্ট দেবেন। এত কিছুর পরেও আমাদের দেশে মাকে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয়! অসুস্থ মাকে বস্তাবন্দি করে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায় তার নারী ছেড়া ধন সন্তানরা।
তাই আসুন আমরা মাকে নির্দিষ্ট কোন দিনে নয় প্রতিটি মুহুর্ত প্রতিক্ষণ প্রতিদিন সারা বছর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে মাকে ভালবাসি। আমার মাকে বৃদ্ধাশ্রমে নয় আমাদের গৃহে সেবা যত্ন আর মমতায় মাথায় তুলে রাখি। আর মরমী কন্ঠশিল্পী প্রয়াত ফকির আলমগীরের কন্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলি “মায়ের এক ধার দুধের দাম, কাটিয়া গায়ের চাম পাপোষ বানাইয়া দিলেও ঋণের শোধ হবে না, আমার মাগো–”

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।